default-image

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গত শুক্রবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রাতেই ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে দেন লোকজন। আজ শনিবার হওয়া মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম জালাল উদ্দিন (২২)। তিনি সদর উপজেলার ইচ্ছারচর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্ত্রীর নাম সামিয়া বেগম (২০)। তিনি জামালগঞ্জ উপজেলার মামুদপুর গ্রামের গোলাম জিলানীর মেয়ে।

বিজ্ঞাপন
আসামি পুলিশি হেফাজতে আছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সাইফুল ইসলাম, ওসি. জামালগঞ্জ থানা

থানা-পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাত মাস আগে জালালের সঙ্গে সামিয়ার বিয়ে হয়। এরপর জালাল যৌতুকের জন্য সামিয়াকে নানাভাবে চাপ দিচ্ছিলেন। সামিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও করতেন জালাল। নির্যাতন সইতে না পেরে মাসখানেক আগে সামিয়া বাবার বাড়ি যান।

গতকাল শুক্রবার স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যান জালাল। সামিয়ার বাবা জানান, জালালের মা–বাবা ছাড়া সামিয়াকে পাঠাবেন না, এ কথা শুনে তিনি (জালাল) খেপে যান। রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে এক কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন জালাল ও সামিয়া। সেখানে গভীর রাতে জালাল দা দিয়ে সামিয়াকে উপর্যুপরি কোপান। চিৎকার শুনে পরিবারের অন্যরা এগিয়ে গেলে জালাল পালানোর চেষ্টা করেন। প্রতিবেশীরা তাঁকে আটক করেন। সামিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই গিয়ে জালালকে থানায় নিয়ে যায়।

জানতে চাইলে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় আজ জালালকে আসামি করে সামিয়ার দাদা আবদুল গফুর থানায় মামলা করেন। আসামি পুলিশি হেফাজতে আছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0