বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কনে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। বর আশরাফুল ইসলাম (২১) একই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি কওমি মাদ্রাসার ছাত্র। তাদের বিয়ে নিবন্ধন করেন আবু হানিফ।


ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রধান কালীগঞ্জের ইউএনও রবিউল হাসান বলেন, ‘গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে বাল্যবিয়ের তথ্য পাই। বিয়ের পর নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে রওনা হয় বরপক্ষ। বর ও নববধূর পরনে বিয়ের পোশাক না থাকায় প্রথমে তাঁরা বিয়ের কথা অস্বীকার করেন। পরে কাজীকে ফোন করে ডেকে আনা হলে সবাই বিয়ের কথা স্বীকার করেন। বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে কাজী আবু হানিফকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং বর আশরাফুল ইসলামকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছি।’ তিনি জানান, লিখিত মুচলেকা নিয়ে কনেকে তাঁর চাচা ও মামার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত কিশোরীকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানো যাবে না।

কালীগঞ্জের কেইউপি কলেজের শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বলেন, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকায় অভিভাবকেরা কিশোরী মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছেন। প্রশাসন খবর পেয়ে কোনো কোনো বিয়ে বন্ধ করতে পারছে, আবার কোনোটার খবর প্রশাসন পাচ্ছে না।

বাল্য বিবাহ বন্ধে অবদান রাখায় এশিয়ার মধ্যে শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক নির্বাচিত হওয়া হাতীবান্ধার গেন্দুকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর সরকারিভাবে লালমনিরহাট জেলাকে দেশের প্রথম বাল্য বিবাহমুক্ত জেলা ঘোষণা করা হয়। তবে বাস্তবে জেলাটি বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন