বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক বলেন, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে অসিম কুমার মৃধা ও নূরনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে বখতিয়ার আহমেদ জয়লাভ করেন। অন্য সাতটিতে নৌকার প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন। প্রার্থী নির্বাচনে ভুল, দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া ও দলীয় নেতা-কর্মীরা অনেকাংশে নৌকার বিপক্ষে অবস্থায় নেওয়ায় নৌকার পরাজয় হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য বহিষ্কৃত বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক গাজী আনিছুজ্জামান ও রমজাননগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শেখ আল মামুন জয় পেয়েছেন। এ ছাড়া গাবুরা ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী মাসুদুল আলম ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক স্বতন্ত্র (বিএনপি) মো. আমজাদুল ইসলাম জয়লাভ করেন। কৈখালীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রহিম, বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী নজরুল ইসলাম ও আটুলিয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সালেহ জয়লাভ করেন।

উপজেলার তিন ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। তাঁরা হলেন, আটুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী নজরুল ইসলাম, রমজাননগর ইউপিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য শাহানুর আলম ও কাশিমাড়ী ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি সমশের ঢালী।

সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল করিম জানান, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে থাকে। আটুলিয়া ইউনিয়নে ২০ হাজার ৫২৮ ভোট পড়লেও নৌকা প্রতীকের গাজী কামরুল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯৩ ভোট। রমজাননগরে প্রদত্ত ১৫ হাজার ১০ ভোটের মধ্যে নৌকা প্রতীকের শাহনুর আলম পেয়েছেন ৬৯৫ ভোট এবং কাশিমাড়ী ইউপিতে ১৭ হাজার ২১৭ ভোট পড়লেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী সমশের ঢালী পেয়েছেন ১ হাজার ৫২৬ ভোট।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন