বিজ্ঞাপন
default-image

আজ সকাল ১০টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, সুন্দরবন–সংলগ্ন নদ-নদীর পানি ছয়-আট ফুট বেড়ে গেছে। নীলডুমুর এলাকায় জয়নাল আবেদীন, আবদুর রাজ্জাকসহ অনেকেই তাঁদের দোকান থেকে জিনিসপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আটটি টহল ফাঁড়ির সদস্যদের গতকাল সন্ধ্যায় নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। সুন্দরবনে কাজ করতে যাওয়া মৌয়াল ও জেলেদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে।

default-image

গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বলেন, আজ সকালে স্থানীয় নদ-নদীতে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ছয়-আট ফুট বেড়ে গেছে। গাগড়ামারি, ৩ নম্বর, জেলেখালী, নাপিতখালী এলাকা দিয়ে পাউবোর বাঁধ ছাপিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকছে।

মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাসেম, বুড়িগোয়ালিনীর চেয়ারম্যান ভবতোষ মণ্ডল ও পদ্মপুকুরের চেয়ারম্যান আতাউল ইসলাম জানান, তাঁদের এলাকার বিভিন্ন বেড়িবাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে।

default-image

পাউবোর শ্যামনগরের শাখা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, সিংহড়তলী এলাকায় গতকাল রাতেই ২১০ গ্রামবাসী কাজ করে লোকালয়ে পানি ঢোকা বন্ধ করেছেন। দুর্বল বাঁধে মাটি দেওয়ার জন্য আজ সকাল থেকে তাঁরা কাজ করছেন।

গাবুরার দায়িত্বরত পাউবোর শাখা কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন জানান, এলাকার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। পানি বেড়েই চলেছে। এখনো বাঁধ না ভাঙলেও কখন কী হয়, কে জানে?

শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল হক বলেন, আজ সকাল ১০টা থেকে ঝড়ের গতির সঙ্গে সঙ্গে পানি বেড়েছে। তবে গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সিগঞ্জ, কৈখালী, রমজাননগর, কাশিমাড়ি ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পাউবোর বেড়িবাঁধের ৪৩টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এসব স্থানে মাটি দিয়ে বাঁধ মজবুত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন