বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি বিভিন্ন যন্ত্রের সাহায্যে গাড়িতে লোড-আনলোড করার কাজ করাচ্ছেন মিলমালিকেরা। তবে শ্রমিকদের মাধ্যমে পাথর লোড-আনলোড কাজ তাঁদের নায্য অধিকার দাবি করে আন্দোলন করছে সংগঠনটি। আজ সকালে জৈন্তাপুরের আসামপাড়া এলাকায় একটি ক্রাশার মিলে যন্ত্রের সাহায্যে পাথর লোড করার কাজ শুরু করলে শ্রমিকেরা প্রতিবাদ জানান।

শ্রমিকদের অভিযোগে প্রতিবাদ জানালে ক্রাশার মিলমালিকের আত্মীয় পরিচয়ে সোহেল আহমদ শ্রমিকদের মারধর করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি উল্টো শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকির অভিযোগে থানায় মামলা করেন, এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে পাথরশ্রমিকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

একপর্যায়ে জৈন্তাপুর এলাকার পাথরশ্রমিকেরা বেলচা হাতে জৈন্তাপুরের বাংলাবাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের স্টেশন বাজার এলাকায় অবস্থান নেন। এতে আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় শ্রমিকেরা অভিযুক্ত সোহেলকে আটক এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের দাবি জানান। সোহেলের লিখিত অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি জানান।

শ্রমিকেরা আঞ্চলিক মহাসড়কে ঝুড়ি ও বেলচা হাতে নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে সড়কের দুই পাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে প্রায় কয়েক শ যানবাহন আটকা পড়ে। একপর্যায়ে জৈন্তাপুর থানা–পুলিশ, জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. কামাল আহমদসহ স্থানীয় মুরব্বিরা শ্রমিকদের সান্ত্বনা দেন। শ্রমিকদের মারধরের বিষয়টি থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ করা হলে আইনি প্রক্রিয়ায় নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে শ্রমিকেরা সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

এ ব্যাপারে সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর বলেন, ‘শ্রমিকদের মধ্যে ভুল বার্তা চলে গিয়েছিল। সোহেল লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়নি। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সান্ত্বনা দিয়ে আমরা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেছি।’

গোলাম দস্তগীর আরও বলেন, ‘বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের আমরা মারধরের বিষয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ দেওয়ার কথা বলেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন