বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা ইজিবাইক মালিক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুল লতিফ বয়াতী বলেন, হোসেন খানের নেতৃত্বে ইজিবাইকচালকদের কাছ থেকে প্রতিদিন ২০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হয়। চাঁদার টাকা না দিলে গাড়ির চাবি নিয়ে যাওয়া হয়। চালকদের ভয়ভীতিও দেখানো হয়। উপজেলা সদরের হাসপাতালসংলগ্ন সড়কে পরিতোষ ও শিপন নামের দুই ব্যক্তি এবং উপজেলা দীর্ঘা সেতু এলাকায় মাসুম শেখ নামের এক ব্যক্তি শ্রমিক লীগের নাম ব্যবহার করে ওই চাঁদা আদায় করছেন।

আবদুল লতিফ বয়াতী বলেন, ‘আমরা সমিতির নামে কখনো ইজিবাইকচালকদের কাছ থেকে কোনো চাঁদা নিইনি। অথচ এক মাস ধরে শ্রমিক লীগের নামে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। কী কারণে তাঁরা চাঁদা আদায় করছেন, তার কোনো ব্যাখাও দিচ্ছেন না।’

ইজিবাইক চালক মো. এরাদাত হোসেন বলেন, ‘নাজিরপুর উপজেলার শ্রমিক লীগের নতুন কমিটি হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক নিজস্ব লোক দিয়া আমাদের প্রতিটি গাড়ি থেকে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ টাকা আদায় করছেন। চাঁদার টাকা না দিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়। গাড়ির চাবি নিয়ে যায়।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রমিক লীগ নেতা হোসেন খান বলেন, রাজনৈতিক কারণে কিছু লোক তাঁর নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। লাইনের খরচের জন্য প্রতিটি ইজিবাইক বাবদ দৈনিক ১০ টাকা আদায় করা হয়। সেটা লাইনম্যানেরা নেন। তিনি বা শ্রমিক লীগের নেতারা কোনো চাঁদা আদায় করছে না বলে তিনি দাবি করেন।

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ইজিবাইকচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের মৌখিক অভিযোগে ভিত্তিতে শ্রমিক লীগের নেতাকে ডেকে আনা হয়েছিল। তাঁকে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতে নিষেধ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন