নিহত মমতার স্বামী আয়াত উল্লা জানান, তাঁর স্ত্রী মৃগী রোগ ছিলেন। এ ছাড়া তিনি কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রায়ই তিনি নিখোঁজ হয়ে যেতেন। এ ধরনের ঘটনায় ২০২০ সালে শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। আয়াত উল্লা বলেন, তাঁদের ধারণা, শনিবার সন্ধ্যার আগে মমতা বেগম পুকুরপাড়ে গিয়েছিলেন। এরপর পা পিছলে তিনি পানিতে পড়ে যেতে পারেন। নিখোঁজের পর থেকে তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজলেও সন্ধান পাননি। পরে আজ সকালে লোকজনের কাছ থেকে পুকুরে মরদেহ পাওয়ার খবর পান।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন