বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে নিহত কাজলীর (২৫) লাশের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. খাইরুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ময়নাতদন্তে কাজলীকে শ্বাস রোধ করে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে হত্যার আগে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কর্ণঝোরা ঢেউফা নদীর পাড় থেকে গৃহবধূ কাজলীর লাশ উদ্ধার করে শ্রীবরদী থানার পুলিশ। কাজলীর বাড়ি উপজেলার কর্ণঝোরা গ্রামে। ঘটনার পর থেকে কাজলীর স্বামী নেহাল পলাতক।

পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, তিন-চার বছর আগে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কন্যাকান্দা গ্রামের নেহালের সঙ্গে কাজলীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে অধিকাংশ সময়ই কাজলী তাঁর বাবার কর্ণঝোরা গ্রামের বাড়িতে থাকতেন। কাজলীর সঙ্গে রফিকুল ইসলামের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে কাজলী নিখোঁজ ছিলেন। পরে শুক্রবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির অদূরে কর্ণঝোরা ঢেউফা নদীর পাড়ে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় কাজলীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, কাজলীর স্বামী নেহাল, রফিকুলসহ অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কাজলীকে হত্যা করে লাশ কর্ণঝোরা ঢেউফা নদীর পাড়ে ফেলে দেন।

শ্রীবরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল হাশিম শনিবার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ হত্যা মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত ও প্রধান আসামি কাজলীর স্বামী নেহালসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা করছে। গ্রেপ্তার রফিকুলকে থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

শনিবার প্রথম আলোর প্রিন্ট সংস্করণে ‘গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন