বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ছয় থেকে সাতজনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার ভোট গণনা শেষে আবদুল্লাহ আল জসিম ওই কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও অন্য কর্মকর্তাদের নির্বাচনী ফলাফল শিট বিতরণ করেন। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী নিয়ন্ত্রণ কক্ষে গিয়ে ফলাফল শিট জমা দেন। কিন্তু ওই ফলাফল শিটে ঘষামাজার চিহ্ন পাওয়া যায় এবং কেন্দ্রে বিতরণ করা ফলাফল শিটের সঙ্গেও গরমিল দেখা যায়। বিষয়টি দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নজরে আসার পরপরই আবদুল্লাহ আল জসিম কৌশলে নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সটকে পড়েন।

এরপর ওই দিন মধ্যরাতে শ্রীবরদী থানার পুলিশ প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল জসিমকে আটক করে। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী ফলাফলের শিট ঘষামাজা (টেম্পারিং) করার কথা স্বীকার করেন আবদুল্লাহ আল জসিম। পরে তাঁকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শানিয়াজ্জামান তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আবদুল্লাহ আল জসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল রাতে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়।

ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার আবদুল্লাহ আল জসিমকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার অনুষ্ঠিত রাণীশিমুল ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হামিদ ৪ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী মাসুদ রানা পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৪৮ ভোট।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন