বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে জেলা সদর হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। পরে সে শেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম খানের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। ধর্ষণের ফলে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবদুল হাকিমকে তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রী (১২) চাচা বলে ডাকত। গত ৪ ও ১০ মার্চ আবদুল হাকিম ওই ছাত্রীকে কৌশলে তাঁর বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। একপর্যায়ে কোমল পানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তিনি ওই ছাত্রীকে পান করান এবং তাকে ধর্ষণ করেন। এরপরও হাকিম ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। শারীরিক পরিবর্তন দেখে এ ব্যাপারে ৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রীটির মা তাকে জিজ্ঞেস করলে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।

পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আবদুল হাকিম, তাঁর দুই ভাইসহ স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা-বাবাকে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন।

পরে সংবাদ পেয়ে শ্রীবরদী থানার পুলিশ গত শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীসহ তাঁর মা-বাবাকে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় রোববার সকালে ওই ছাত্রীর বাবা থানায় মামলা করেন।

শ্রীবরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. নুর উদ্দিন রোববার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় আবদুল হাকিমসহ তিনজনকে আসামি করে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। জেলা সদর হাসপাতালে ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে। পুলিশ মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
চেষ্টা করেও ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগের বিষয়ে আবদুল হাকিমের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন