বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল আমীন বাদী হয়ে আজ সকালে তিনজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও এক-দুজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন বইয়ের ক্রেতা ঝিনাইগাতী উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের আব্বাস মিয়া, ঘোনাপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোহিনুর ফারজানা ও অটোরিকশাচালক রুবেল মিয়া।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সরকারি বই বিক্রি করা হচ্ছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত ১১টার দিকে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ উপজেলার ঘোনাপাড়া নয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ১৭ বস্তাভর্তি বইসহ একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও এর চালক রুবেল মিয়াকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বইয়ের ক্রেতা আব্বাস মিয়া কৌশলে পালিয়ে যান। পরে বস্তাভর্তি বইসহ অটোরিকশাচালক রুবেল মিয়াকে শ্রীবরদী থানায় নিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। উদ্ধার করা বইয়ের মধ্যে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের ২ হাজার ৩৬৮টি বই আছে। এসব বই উপজেলার ঘোনাপাড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে পুরোনো মাল কেনার ব্যবসায়ী আব্বাস মিয়ার কাছে বিক্রি করা হয়েছিল।

ঘোনাপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোহিনুর ফারজানা প্রথম আলোকে বলেন, আগামী রোববার থেকে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে। তাই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও অন্যান্য কক্ষ পরিচ্ছন্ন করার সময় তাঁর স্কুলের পিয়ন কিছু পুরোনো ও নষ্ট হয়ে যাওয়া বই ও খাতা বিক্রি করেছেন। এত সংখ্যক বই বিক্রি করার প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য ষড়যন্ত্র করে তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন