default-image

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার গোতগাঁও আমিনপুর গ্রামে শয়নকক্ষে স্বামীর লাশ রেখে পালিয়ে যাওয়া দ্বিতীয় স্ত্রী রেনু বেগমকে (৩০) গ্রেপ্তারের পর আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের স্বজনী গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত আলেক মিয়ার মেয়ে নাছিমা বেগম বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় রেনু বেগমকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

জগন্নাথপুর থানায় করা মামলার বিবরণ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোতগাঁও আমিনপুর গ্রামের দিনমজুর আলেক মিয়া (৫০) তিন মাস আগে বাগময়না টেকুয়া গ্রামের রেনু বেগমকে (৩০) বিয়ে করেন। আলেক মিয়ার প্রথম স্ত্রীর সংসারে তিন মেয়ে ও দুই ছেলে। তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা ঘরে থাকতেন। গতকাল শনিবার সকালে দেখা যায়, আলেক মিয়া মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন আর ঘরে দ্বিতীয় স্ত্রী নেই। তাঁর মাথার পাশে রক্তাক্ত কাঠের টুকরা পড়ে ছিল। বিষয়টি তাঁর সন্তানেরা থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ রাতে উপজেলার স্বজনী গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

বিজ্ঞাপন

জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি–তদন্ত) মুসলেহ উদ্দিন বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন