বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুকনা মৌসুমে সেতুর পাশ দিয়ে (নিচ দিয়ে) বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করা গেলেও এখন বর্ষা মৌসুমে চলাচলের জন্য একমাত্র ভরসা জরাজীর্ণ সাঁকোটি। দীর্ঘদিন ধরে এই ভোগান্তির কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরে জানালেও সেতু-কালভার্টটির সংযোগ সড়ক সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

সম্প্রতি স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তেপুকুরিয়া থেকে বোদা উপজেলা শহরে যাওয়ার ওই সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের। ২০১৭ সালে বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যায় কালভার্টের দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কটি। এরপর থেকেই এই সড়ক ব্যবহারকারীদের ছয় থেকে আট কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যেতে হয়। দীর্ঘদিন ভেঙে থাকলেও এখনো কালভার্টটির সংযোগ সড়ক সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

২০১৭ সালের শেষ দিকে স্থানীয় সাহেব আলী নামের এক ব্যবসায়ীর সহযোগিতায় সেখানে বাঁশ ও কাঠের সাঁকো তৈরি করেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। বর্তমানে সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছেন স্থানীয় লোকজন। ২০১৮ সালে ওই সাঁকো পার হতে গিয়ে নিচে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে জানান এলাকার বাসিন্দারা।

সংস্কারের উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল মোমিন বলেন, দীর্ঘদিন আগে ইট দিয়ে নির্মাণ করা ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্টটির স্থানে ৫০ ফুট দীর্ঘ একটি নতুন কালভার্ট নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন