বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই আক্ষেপ শুধু রমিছার একার নয়, সাপনই আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা ৪৫টি পরিবারের সদস্যদের।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালে দুস্থ ভূমিহীনদের পুনর্বাসনে উপজেলার গেরামারা গ্রামে সাপনই বিলের খাসজমির ওপর আশ্রয়ণ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ২৩ একর খাসজমির ওপর ১০০ ভূমিহীন পরিবারের জন্য ১০টি ব্যারাক নির্মাণ করা হয়। এর সঙ্গে ১০টি শৌচাগার ও ১০টি নলকূপ স্থাপন করা হয়। বর্তমানে অনেকে চলে গেছে, এখন ৪৫টি পরিবার রয়েছে।

গত মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা গেছে, আশ্রয়ণ প্রকল্পে যাতায়াতের মাটির রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় সেখানে বাঁশের একটি সাঁকো দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ব্যারাক টিন দিয়ে তৈরি। নিচে মাটি। দেয়াল আর চালার টিন পুরোনো হওয়ায় সেগুলো ভেঙে গেছে। অধিকাংশ ঘরের মাটি সরে গেছে। ১০টি নলকূপের মধ্যে ৯টি অকেজো। ১০টি শৌচাগারই বেহাল। শৌচাগারগুলোও টিনের তৈরি ছিল। জং ধরা এ শৌচাগারগুলো আর ব্যবহার উপযোগী নেই। কোনোমতে দুটি শৌচাগার দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছে ৪৫টি পরিবারের লোকজন।

গৃহিণী শরুফা খাতুন বলেন, ‘ঘরে চালা ভাঙা, ভিটাতে মাটি নাই, পানি নাই, রাস্তা নাই। নানা অসুবিধার নিয়া আমগর থাহুন লাগে। কী করমু? এ ছাড়া তো যাওয়ার কোনো জাইগাও নাই। সরকারিভাবে একটু দৃষ্টি দিলে আমগর বিরাট উপকার অইতো।’ হাসমত আলী বলেন, কাজের অভাবে অনেক পরিবার ঢাকায় চলে গেছে। যারা আছে, তারা খুব কষ্ট করে থাকে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি ইব্রাহীম খলিল বলেন, নির্মাণের পর সরকারিভাবে সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে রাস্তা, ঘরসহ সবকিছু ভেঙে পড়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবদুল হান্নান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেলেনা পারভীন বলেন, সামনে বরাদ্দ পেলে সংস্কারের কাজ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন