বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৮ জুলাই বন্ড সুবিধায় আমদানি করা বিভিন্ন ফেব্রিকসের বিপরীতে শুল্ক আদায়ের লক্ষ্যে চারটি বিল আফতাব খানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফারমিস সাউথইস্ট এশিয়া লিমিটেডের পক্ষে দাখিল করা হয়। সেগুলো যাচাই-বাছাইকালে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের উপকমিশনার কাঞ্চন রানী দত্তের সই জাল করে ২ কোটি ৩০ লাখ ২ হাজার ৪০৫ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা গাজী মো. হোসাইন বাদী হয়ে পরদিন বন্দর থানায় আফতাবসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মামলায় আসামি হওয়ার পর আফতাব উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন। পরে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তিনি। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া তাঁকে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন