বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তদন্ত দলের প্রধান মো. মাহাবুবার রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সদরের চিতলিয়া ইউপি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘটনা প্রথম আলোসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে সদস্য প্রার্থীসহ সবাই সহযোগিতা করেছেন। অধিকাংশ প্রার্থীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ঢাকায় ফিরে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। এরপর চিতলিয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

চিতলিয়া ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সদস্য ও ৩টি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে পছন্দের প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী করার জন্য অন্যদের সই জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে। তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এ নিয়ে ‘এমপি স্যার বলেছেন, চিতলিয়ায় কোনো নির্বাচন হবে না’ শিরোনামে গত ২৮ অক্টোবর প্রথম আলোতে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর ইসি সচিবালয় থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (আইন) মো. মাহাবুবার রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, চিতলিয়া ইউপিতে ৪৮ প্রার্থী ইউপি সদস্যপদে এবং ১২ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যপদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তাঁদের মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়েছিল। এর মধ্যে ৩৯ জন সাধারণ সদস্য ও ৯ জন সংরক্ষিত নারী সদস্যপদে তাঁদের মনোনয়নপত্র গত ২৬ অক্টোবর প্রত্যাহার করে নেন। ২৭ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দের দিনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে কমপক্ষে ২০ প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘এমপি স্যারের সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে চিতলিয়া ইউনিয়নে কোনো নির্বাচন হবে না, সবাই সিলেক্টেড হবেন। এ কথা এমপি মহোদয় বলেছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন