বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত ফয়সাল পার্শ্ববর্তী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক ইউনিয়নের নাটোয়ার টিলা গ্রামের বাসিন্দা ওমানপ্রবাসী আবদুস সালামের ছেলে। তিনি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহত আকিব ওমান থেকে সদ্য দেশে ফিরেছেন। তিনি একই এলাকার মুহাম্মদ সেলিমের ছেলে।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলার নোয়াপাড়ায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগে আজ ভোরেই এই স্থানের এক কিলোমিটার দূরে ওই সড়কে বাস দুর্ঘটনা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওমান থেকে সদ্য দেশে ফিরেছেন আকিব। আসার সময় ফয়সালের ওমানপ্রবাসী বাবা আবদুস সালাম আকিবের কাছে পরিবারের জন্য জিনিসপত্র পাঠান। ওই মালামাল নিয়ে ফয়সাল ও আকিব মোটরসাইকেলে ফটিকছড়ি থেকে চট্টগ্রাম শহরে ফিরছিলেন। ওই সড়কে ভটভটি চলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে। এরপরও একটি অবৈধ ভটভটি সড়ক দিয়ে একই দিকে যাচ্ছিল। পথে রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের পথেরহাট বাজারের কাছে পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেলটিকে ভটভটিটি ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে আরোহী দুই তরুণ আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে প্রথম স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত আটটার দিকে ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ আলাউদ্দিন তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, আহত মোটরসাইকেল আরোহী দুই তরুণকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রাউজান থেকে হাসপাতালে আনা হয়। এরপর চিকিৎসক ফয়সালকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে আজ সকাল আটটার দিকে কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরে একই সড়কের নোয়াপাড়া ব্রাহ্মণহাট এলাকায় একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে প্রায় ১২ জন বাসযাত্রী আহত হন

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন