বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাড়ির মালিক কাজী আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বাড়িতে বর্তমানে ৩৭টি চাক আছে। এরা আমাদের কোনো ক্ষতি করে না। উৎসুক জনতা প্রতিদিনই মৌমাছির চাক দেখতে আসে বিভিন্ন স্থান থেকে। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় ওই মধু কখনো বিক্রি করতে পারি না। প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও নেতা-কর্মীদের বিলিয়ে দিই।’

default-image

শৌখিন মৌয়াল আবদুল কাদের মিয়া বলেন, ‘অনেক বছর ধরে এই বাড়ির মৌমাছির চাকগুলো আমিই কাটি। মধু নামাই। এ বছর এক মাস আগেও কয়েক মণ মধু নামিয়েছি। প্রতিবছর পাঁ থেকে সাত মণ মধু নামানো যায়।’

উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা বলেন, আশরাফ সিদ্দিকী বছরের বেশির ভাগ সময় ঢাকায় থাকেন। তাঁর এক ভাই ও বৃদ্ধ মা–বাবা ওই বাড়িতে থাকেন। তিনি গ্রামের বাড়িতে এলেই মৌয়ালকে খবর দেওয়া হয়। নেতা বাড়িতে এলে প্রতিবেশী, আত্মীয় ও কর্মীরা বাড়িতে মধুর জন্য ভিড় করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন