ছেলে হারানোর কষ্ট বুকে নিয়ে কয়েক মাস আগে সগিরের বাবা সেকান্দার আলী মারা গেছেন। আর মা খাজিদা বেগম মারা গেছেন দুই বছর আগে। তাঁদের গ্রামের বাড়িতে এখন আর কেউ থাকেন না। সগিরের বড় ভাই মিজানুর রহমান ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি বেসরকারি ব্যাংকে মাঠ কর্মকর্তা (ফিল্ড অফিসার) হিসেবে কর্মরত। তিনি বলেন, ‘সগির খুবই মেধাবী ছাত্র ছিল। পরিবারের সবার আদরের ছিল সে। সে আমাদের সান্ত্বনা দিত, লেখাপড়া করে ভালো চাকরি করে আমাদের মুখে হাসি ফোটাবে। রানা প্লাজায় ছয়তলায় কাজ করত সগির। তার আরেক সহপাঠী আগেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখতে পেয়েছিল। এমনকি চক দিয়ে ফাটলের স্থানে দাগ দিয়েও রেখেছিল তারা। মৃত্যুর এক দিন আগে পরিবারের অনেকের সঙ্গে মুঠোফোনে সগির সেই ফাটলের কথা জানিয়েছিল। ঘটনার আগের দিন সে কাজে যেতে ভয় পাচ্ছিল। কিন্তু বেতন বন্ধের হুমকি দিয়ে সুপারভাইজার তাদের কাজে যেতে বাধ্য করেছিল।

মিজানুর রহমান আরও বলেন, সগিরের দাফনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথমে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে আরও এক লাখ টাকা তাঁরা পেয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন