সিংহের মৃত্যুর সত্যতা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক মো. মাজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, বার্ধক্যের কারণে ২২ বছর বয়সী সোহেল নামের সিংহটির মৃত্যু হয়েছে। তিন মাস ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিল সিংহটি। তাকে বেষ্টনী থেকে সরিয়ে বন্য প্রাণী হাসপাতালের কোয়ারেন্টিন শেডে রাখা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাসহ নিয়মিত পরিচর্যা করা হচ্ছিল। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার চিকিৎসা দেওয়া হয় সোহেলকে। শরীর এতই দুর্বল হয়ে পড়েছিল যে সিংহটি দাঁড়াতেও পারছিল না। শেষ পর্যন্ত সঙ্গিনী নদী ও দুই সন্তানকে রেখে বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মারা যায় সিংহটি। তার মৃত্যুতে পার্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও শোকার্ত।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুপন নন্দী বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায় সিংহ বাঁচে ১৫ থেকে ১৮ বছর। সাফারি পার্কে মারা যাওয়া এই পুরুষ সিংহের বয়স হয়েছিল ২২ বছর।

বুধবার রাতে মৃত সিংহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন চকরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভেটেরিনারি সার্জন) সুপন নন্দী। এরপর পার্কের ভেতরে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয় প্রাণীটিকে। সুপন নন্দী বলেন, বার্ধক্যজনিত কারণে সিংহটির মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় সিংহ বাঁচে ১৫ থেকে ১৮ বছর। সাফারি পার্কে মারা যাওয়া এই পুরুষ সিংহের বয়স হয়েছিল ২২ বছর। কয়েক বছর ধরে সিংহটি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিল।

পার্কের তত্ত্বাবধায়ক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ২০০৪ সালে চার বছর বয়সে সিংহ সোহেলকে এই পার্কে আনা হয়েছিল। এই বেষ্টনীতে তার কেটেছে ১৮ বছর। একই বেষ্টনীতে ১১ বছর আগে সঙ্গী হয়ে আসে নদী। নদীর বয়স ১৫ বছর চলছে। এর মধ্যে তাদের সংসারে আসে টুম্পা ও সম্রাট নামের দুই সন্তান। টুম্পার বয়স ১০ এবং সম্রাটের ৯ বছর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন