বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল ভবনের উত্তর পাশে তিনটি ঝাউগাছ ১১ এপ্রিল দুপুরে কাটা হয়। গত রোববার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের পেছনের সড়কের উত্তর পাশে এক সারিতে তিনটি গাছ কাটা হয়েছে। গাছ কাটার ওই স্থানে গাছের গুঁড়ি পড়ে রয়েছে। একই ভাবে রাস্তার দুই পাশেই ঝাউগাছের ডালপালা পড়ে আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল ফাত্তাহের নির্দেশে প্রায় মাস ছয়েক আগেও খেজুর, সবেদা, কাঁঠালসহ চারটি ফলদ গাছ ওই চত্বর থেকে কাটা হয়েছিল। তবে সরকারি কোষাগারে কোনো টাকা জমা দেওয়া হয়নি। কোনো ধরনের নিয়মনীতি না মেনেই গাছ কাটা হচ্ছে।

বন বিভাগের পাথরঘাটা রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল হক বলেন, সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গাছ কাটা প্রয়োজন হলে অবশ্যই তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্যার এবং বন বিভাগকে জানানো বাধ্যতামূলক। বন বিভাগ গাছের অবস্থান সরেজমিন তদন্ত করে, গাছের সর্বনিম্ন সরকারি মূল্য উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেবে। ওই প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে ইউএনও সম্মতি জ্ঞাপন করলে গাছ কাটার অনুমতি মিলবে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবুল ফাত্তাহ প্রথম আলোকে বলেন, সড়ক প্রশস্ত করতে গিয়ে গাছ কাটতে হয়েছে। তবে ১টা গাছের বিপরীতে ১০টা গাছ লাগানো হবে। তা ছাড়া গাছের শিকড়ে সড়ক নষ্ট হওয়ার কারণে ওই গাছ কাটতে হয়েছে। ইউএনও এবং পাথরঘাটা উপজেলা বন ও পরিবেশ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি সাবরিনা সুলতানা বলেন, গাছ কাটার ব্যাপারে তিনি অবগত নন। দায়িত্বশীল পদে থেকে নিজের ইচ্ছায় গাছ কাটা যায় না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন