বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চাঁদপুরগামী যাত্রী আজিজুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহখানেক আগে ১১৫ টাকা ভাড়া দিয়ে তিনি ঢাকা এসেছিলেন। কিন্তু আজ চাঁদপুরের ভাড়া ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ঘোষণা ছাড়াই লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বেশি ভাড়া নেওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বরিশাল থেকে আসা পারাবত লঞ্চের যাত্রী ইমরান হোসেন বলেন, ‘বাস বন্ধ থাকায় লঞ্চে এসেছি। ডেকের ভাড়া নিয়েছে ২৮০ টাকা। মাসখানেক আগে ২০০ টাকা ভাড়া ছিল। তেলের দাম বাড়ার কথা বলে লঞ্চমালিকেরা ইচ্ছেমতো যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নিচ্ছে। সরকারের বিষয়গুলো দেখা উচিত।’

তবে লঞ্চ পরিচালনা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও লঞ্চের ভাড়া বাড়ানো হয়নি।

দক্ষিণাঞ্চলের হাতিয়া ও ভোলা রুটে চলাচলকারী এমভি টিপু লঞ্চের পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেন, ডিজেলের দাম বাড়লেও লঞ্চের ভাড়া বাড়েনি। আগের ভাড়ায় লঞ্চ চলাচল করছে। আজ সকাল থেকে তাঁদের তিনটি লঞ্চ ঢাকায় এসেছে। বিকেলে হাতিয়া, বরগুনা, ঝালকাঠি, হুলারহাট ও ভোলার উদ্দেশে পাঁচটি লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ায় সব কটি লঞ্চ চলছে বলে তিনি দাবি করেন।

অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার ঢাকা নদীবন্দরের আহ্বায়ক মামুন আল রশীদ দাবি করেন, ডিজেলের দাম বাড়লেও লঞ্চের ভাড়া অপরিবর্তিত আছে। যাত্রীদের কাছ থেকে পূর্বনির্ধারিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। তবে আজ দুপুরে অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের লঞ্চের ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে বৈঠক হবে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন