বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ১২ জুলাইয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, একজন ইউপি সদস্য সরকার থেকে প্রতি মাসে সম্মানী ভাতা হিসেবে ৩ হাজার ৬০০ টাকা ও ইউপি থেকে ৪ হাজার ৪০০ টাকা পাবেন। ওই হিসেব অনুযায়ী ইউপি সদস্য মজিবুর রহমানের ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত ৩৩ মাসে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা পাওয়ার কথা। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসাইন সরকার দুই দফায়  ইউপি সদস্য মজিবুর রহমানকে ২৫ হাজার টাকা দেন। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার ২০০ টাকা দিচ্ছেন না।

মামলার আরজিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান টাকা চাইলেই চেয়ারম্যান টালবাহানা করেন। সর্বশেষ গত মঙ্গলবারও তিনি চেয়ারম্যানের কাছে টাকা দাবি করেন। তখন চেয়ারম্যান জাকির হোসাইন সরকার টাকা দিতে অস্বীকার করেন। ভাতার বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে অস্বীকার করে চেয়ারম্যান প্রতারণামূলক ওই সদস্যের ১ লাখ ২০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদী ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান বলেন, ‘চেয়ারম্যান জাকির হোসাইন সরকার নিয়ম মোতাবেক পরিষদ চালাচ্ছেন না। তিনি আমার সম্মানী ভাতা আত্মসাৎ করেছেন। তাই মামলা করেছি।’

বাদীপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ তানভীর আহমেদ ফয়সাল বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসাইন সরকারের বিরুদ্ধে আদালত মামলাটি নিয়েছেন। আদালতের বিচারক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে টনকি ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরকার বলেন, ইউপি সদস্য মজিবুর রহমানের অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি আদালতে গিয়ে এর জবাব দেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন