বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: দেখা যায়, দেখতে সুন্দর ও মেধাবী মেয়েরা অ্যাসিড–সন্ত্রাসের শিকার হচ্ছেন...

প্রভাতী রানী বসাক: বখাটে ছেলেরা আশপাশের দেখতে সুন্দর ও মেধাবী মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে। প্রেমের প্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবে মেয়েরা সাড়া দেয় না। মেয়েদের অভিভাবকেরাও এমন ছেলেদের পছন্দ করেন না। সাড়া না পেয়ে বখাটে ছেলেরা এটাকে ‘অহংকার’ হিসেবে দেখে। অ্যাসিড ছুড়ে সেই মেয়ের চেহারা বিকৃত করে দিয়ে তার এগিয়ে চলাকে থামিয়ে দিতে চায়। প্রতিশোধস্পৃহা থেকে এমনটা করে থাকে বখাটেরা।

প্রথম আলো: আপনি তো বেসরকারি সংগঠন পরিচালনা করেন। একজন নারীনেত্রী। অ্যাসিড–সন্ত্রাস নির্মূলে কী করণীয়?

প্রভাতী রানী বসাক: সমাজে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মতো বেসরকারি সংগঠনগুলোর ভূমিকা ও দায়বদ্ধতা বাড়াতে হবে। তরুণ-তরুণীদের সচেতন করে তুলতে স্কুল-কলেজে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। এ কাজের জন্য বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। অ্যাসিড–সন্ত্রাসের শিকার তরুণীদের চিকিৎসা ও দোষীদের বিচার নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে হবে। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অ্যাসিড–সন্ত্রাস নির্মূল হবে।

প্রথম আলো: অ্যাসিড–সন্ত্রাস নির্মূলে সরকারের উদ্যোগ পর্যাপ্ত?

প্রভাতী রানী বসাক: একটা সময় সরকার অ্যাসিড–সন্ত্রাস নির্মূলে কঠোর আইন প্রণয়ন, অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলাগুলো দ্রুত বিচারে নিষ্পত্তি ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার চালু করেছিল। এগুলো নিয়ে সরকার বর্তমানে তেমন একটা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে না। এতে অ্যাসিড–সন্ত্রাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে অপরাধীরা টের পাচ্ছে না। সরকারকে অ্যাসিডবিরোধী প্রচারণা বাড়াতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলাগুলো নিষ্পত্তি হচ্ছে কি না, তা নজরদারি করতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন