পুলিশ জানায়, আবদুল হালিম গতকাল সন্ধ্যায় নাছির কোম্পানির মুরগির খামার এলাকায় একজন ইয়াবা ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্দ্বীপ থানা-পুলিশের একটি দল তাঁকে ঘটনাস্থলে ১০টি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। পরে হালিমকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সন্দ্বীপ থানায় নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। অটোরিকশাটি পণ্ডিতের হাট এলাকায় পৌঁছালে আবদুল হালিম হাতকড়াসহ অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান। ওই সময় সড়ক অন্ধকার থাকায় হালিম সহজে গা ঢাকা দেন।

ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু তাহের প্রথম আলোকে বলেন, হাতকড়াসহ আবদুল হালিম পালিয়ে যাওয়ার খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও হালিমকে তন্নতন্ন করে খুঁজতে থাকেন। তিনিও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। আসামি হালিম একটি পানের বরজে লুকিয়ে ছিলেন। দিবাগত রাত দুইটার দিকে পুলিশ পানের বরজ থেকে হালিমকে গ্রেপ্তার করে।

সন্দ্বীপ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, হাতকড়াসহ ওই আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নামে। পরে মধ্যরাতে ওই আসামিকে পানের বরজ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ সকালে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন