বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নৌ পুলিশের কুমিরা ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক একরাম উল্ল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন, রাঙ্গুনিয়া থেকে বালুভর্তি বাল্কহেডটি মিরসরাই ইকোনমিক জোনের ৫ নম্বর সেক্টরের দিকে যাচ্ছিল। উপজেলার আকিলপুর এলাকায় পৌঁছালে সৈকত থেকে অন্তত এক কিলোমিটার দূরে তলা ফেটে ডুবে যেতে থাকে। এ সময় নাবিকেরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন দেন। খবর পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। তখনো একজন সাগরে ভাসছিলেন। তাঁকে উদ্ধারের পরে জেলেদের নৌকা থেকে আরও তিনজনকে উদ্ধার করে ফাঁড়িতে এনে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

বাল্কহেডের সুকানি বেলাল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, রাঙ্গুনিয়া থেকে সাড়ে ছয় হাজার ঘনফুট বালু ভর্তি করে গতকাল সোমবার কর্ণফুলীর নতুন ব্রিজ এলাকায় আসেন। সেখানে রাত্রিযাপনের পর সকালে মিরসরাইয়ের ইকোনমিক জোনের ৫ নম্বর সেক্টরের দিকে রওনা দেন। দুর্ঘটনাস্থলে কিছু আগে তার বাল্কহেডের ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। এরপর তারা সন্দ্বীপ চ্যানেলে ভাসতে থাকেন। এ সময় ইঞ্জিন মেরামতের চেষ্টা করছিলেন ইঞ্জিনচালক। কিন্তু সাগর উত্তাল থাকায় বাল্কহেডের তলা ফেটে ডুবতে শুরু করে। এরপর তারা ৯৯৯–এ ফোন দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন