বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত বরিশালগামী কোনো লঞ্চই সদরঘাট ছেড়ে যায়নি। এ সময় এক–দুটি লঞ্চের নিচতলার ডেকে যাত্রী পূর্ণ হলেও বেশির ভাগ লঞ্চ যাত্রীর অপেক্ষায় ছিল। যাত্রী পরিপূর্ণ হলে রাত আটটার পর সব লঞ্চ ছেড়ে যাবে বলে জানিয়েছে লঞ্চের কর্মীরা। অবশ্য ঈদের বিশেষ সার্ভিসের কারণে অনির্ধারিত সময়ে চলাচলের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের অনেক গন্তব্যের লঞ্চ ধরতে না পারলে ওই সব গন্তব্যের যাত্রীরা বরিশালের লঞ্চে গিয়ে পরে বাসে বা ভিন্ন মাধ্যমে নিজের গন্তব্যে যেতে পারবেন।

বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঘাটে ভেড়ানো ছিল ঝালকাঠিগামী ফারহান-৭ লঞ্চটি। এর নিচতলার ডেক যাত্রীতে ভড়ে গেলেও সন্ধ্যা ছয়টার পর ছেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন লঞ্চটির কর্মীরা। বরগুনাগামী এমভি শাহরুখ-২ লঞ্চের কর্মীদের কেবিনের জন্য যাত্রী ডাকাডাকি করতে দেখা গেছে।

এ সময় ভান্ডারিয়াগামী ফারহান-৯ লঞ্চটি যাত্রীতে পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় এটিকে ঘাট ত্যাগ করতে বিআইডব্লিউটিএর নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে বারবার অনুরোধ করতে দেখা গেছে। একই সময়ে ভোলা জেলার চরফ্যাশনের বেতুয়াগামী তাসরিফ-৩ লঞ্চটিও যাত্রীর জন্য ঘাটে অপেক্ষমাণ ছিল। পটুয়াখালীর কালাইয়াগামী এমভি ধুলিয়া-১ লঞ্চটিও যাত্রীর অপেক্ষায় ঘাটে অপেক্ষায় ছিল।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঢাকা নদীবন্দর কর্মকর্তা আলমগীর কবীর প্রথম আলোকে বলেন, সকাল ছয়টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত ১১৬টি লঞ্চ সদরঘাট থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। এ সময়ে ১১৯টি লঞ্চ ফিরে এসেছে।

এদিকে রোববারও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে বিআইডব্লিউটিএ ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও অননুমোদিত স্থানে যাত্রী পরিবহনের দায়ে সাতটি লঞ্চকে মোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সদরঘাটে যাত্রীদের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে মোতায়েন রয়েছে নৌ পুলিশ, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ও জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের। জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে বন্দর ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্থাপিত জরুরি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবকেরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন