বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, আজিজুর সর্বপ্রথম ১৯৮৩ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩১ বছর। এরপর বিভিন্ন মেয়াদে তিনি সাতবার ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নড়াইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদে সদস্যের দায়িত্ব পালন করছেন।

এইচএসসি পড়ার সময় বাবাকে হারান আজিজুর। তখন সংসারের দায়িত্ব তাঁর ওপরেই পড়ে। তাই পড়াশোনা আর হয়নি, তবে তখন থেকেই মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা গড়ে উঠেছিল আজিজুরের। নিজ এলাকায় দুটি এতিমখানা ও একটি দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। তাঁর ইউনিয়নে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের বাড়ি। সেখানে তিনি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের নামে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি কলেজও প্রতিষ্ঠা করেছেন আজিজুর।

বারবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পেছনের রহস্য কী—এমন প্রশ্নের জবাবে আজিজুর হেসে দিলেন। বললেন, ‘দলমত–নির্বিশেষে জনসাধারণের সেবা করার চেষ্টা করছি। কখনোই নিজের সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনো চিন্তাভাবনা ছিল না। উল্টো পৈত্রিক সম্পত্তি খুইয়েছি। এসব কারণেই হয়তো মানুষ আমাকে ভালোবাসে।’

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান জানান, চেয়ারম্যান হলে অনেকেই বিশাল অর্থসম্পত্তির মালিক হন। কিন্তু আজিজুর রহমান সেটা করেননি। তিনি সাধারণ জীবন যাপন করেন। আবার এলাকায় কোনো ঝামেলা হলে তিনি থানা-পুলিশ করতে দেন না। নিজেই মিটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা নেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন