বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাইফুল্লাহ সরোয়ার প্রথম আলোকে জানালেন, এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে নম্বর ফর্দ তৈরি, ডিজিটাল আধেয় দিয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের দৈনিক উপস্থিতি সংরক্ষণসহ আরও নানা কাজ করা যাবে। চলতি বছরের মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তাঁকে দেশসেরা উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আর এ স্বীকৃতি কাজ করার গতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

কেন এ সফটওয়্যার তৈরির প্রয়োজন অনুভব করলেন তিনি, এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফুল্লাহ সরোয়ার বলেন, ‘হাতে-কলমে প্রশাসনিক কাজ করতে গিয়ে সময় ও অর্থ—দুটিরই অপচয় হয়। বিদ্যালয়ের পড়ানো শেষ করে বাসায় গিয়েও কাজ করতে হয়। কাজের চাপ কমে না। এ জন্য দ্রুত সময়ে কাজ শেষ করতেই সফটওয়্যারটি তৈরির প্রয়োজন অনুভব করি।’ বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও একেবারে নিজেদের তৈরি কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, সফটওয়্যারটি ব্যবহারের ফলে শতভাগ নির্ভুল হিসাব-নিকাশ করা সম্ভব। ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার বিষয়ে জ্ঞানলাভে এটি কাজ করবে।

সাইফুল্লাহ সরোয়ারের এ উদ্ভাবনে উচ্ছ্বসিত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপজেলার ১৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হচ্ছে সফটওয়্যারটি। এখানে সফলতা পেলে দেশের সব স্কুলে অধিদপ্তরের সম্মতিতে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

সফটওয়্যারটি ব্যবহৃত হচ্ছে রাঙ্গুনিয়া আদর্শ বহুমুখী পাইলট উচ্চবিদ্যালয়েও। প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আবু সায়েম বলেন, সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সহজেই নানা কাজ করা যাচ্ছে। তথ্য সংরক্ষণ, ডিজিটাল আধেয় জমা রাখাসহ নানা কাজ করা যায়। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এটি ব্যবহার করা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন