বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটকের পর রহিম পুলিশকে বলেন, চোখের সামনে রিকশাওয়ালা, গাড়িচালক, দিনমজুরসহ অনেকে ইয়াবার কারবারে জড়িয়ে রাতারাতি বড়লোক বনে গেছেন। তিনিও হঠাৎ বড়লোক হওয়ার জন্য এই পথ বেছে নেন।

পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে থানা–পুলিশের একটি দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে আবদুর রহিমকে আটক করে। এ সময় তাঁকে তল্লাশি করে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রহিম ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেন। হঠাৎ বড়লোক হওয়ার জন্য ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়েন বলে পুলিশকে জানান তিনি।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা টিটু চন্দ্র শীল বলেন, দীর্ঘ ২২ বছর আবদুর রহিম টেকনাফসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকরি করেছেন। মাদকসহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় রহিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে কক্সবাজারের বিজ্ঞ বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন