বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান মেয়র শহীদুজ্জামান খান। বিএনপি দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ না নিলেও দলটির পৌর শাখার সভাপতি মঞ্জুরুল হক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তাঁর প্রতীক জগ। তিনি সাবেক মেয়র। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আরেক সাবেক মেয়র মো. আবদুর রশীদ (নারকেলগাছ প্রতীক) মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি একবার মেয়র এবং পৌরসভা হওয়ার আগে চারবার ঘাটাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। মেয়র পদে অপর প্রার্থী হচ্ছেন জাকের পার্টির শরীফুল ইসলাম (গোলাপ ফুল প্রতীক)।
এ ছাড়া ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২২ জন এবং ৩টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রার্থীর শঙ্কা নেই। সব প্রার্থীই আশা করছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। প্রচারণাকালে কোনো প্রার্থী কোনো বাধার মধ্যে পড়েননি। আওয়ামী লীগ প্রার্থী শহীদুজ্জামান খান জানিয়েছেন, সবাই অবাধে প্রচারণা চালাতে পারছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইছেন। নির্বাচন নিয়ে কোনো গোলযোগের আশঙ্কা নেই।

সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি মঞ্জুরুল হক জানান, ভোটের মাঠের পরিবেশ ভালো আছে। তিনি আশা করছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। অপর মেয়র প্রার্থী আবদুর রশীদ জানান, এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ, তা দেখে মনে হচ্ছে, নির্বাচনে কোনো ঝামেলা হবে না। ভোটাররা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। জাকের পার্টির প্রার্থী শরীফুল ইসলামও একই মন্তব্য করেন।

অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত রোববার ঘাটাইলে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। সেখানে সব প্রার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও ঘাটাইল পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, অবাধ–সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ১০টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হবে। আশা করা যাচ্ছে, একটি মডেল নির্বাচন ঘাটাইলে অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন