default-image

সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহমেদকে দল থেকে বহিষ্কার ও কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। একই দাবিতে সংবাদ সম্মেলনও করেছেন সংগঠনটির একাংশের নেতা–কর্মীরা।

জেলা ও সব উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ব্যানারে সোমবার দুপুরে শহরের পাকাপোলের মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি সংগীতা মোড়ে সাতক্ষীরা-কালীগঞ্জ মহাসড়কে গিয়ে শেষ হয়। পরে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানের সাতক্ষীরা শহরের বাসায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান, দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সালাউদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন পাড়, সাংগঠনিক সম্পাদক শিবলুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা রাজিবুল ইসলাম প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ৫ অক্টোবর কেন্দ্র থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ১৭১ সদস্যবিশিষ্ট যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়েছে, তাঁদের অনেককেই কেউ চেনে না। দলের সভা–সমাবেশে তাঁদের দেখা যায় না। অনেকের দলের সঙ্গে কখনো সম্পর্ক ছিল না, এখনও নেই—এমন ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে। এ কমিটি মেনে নেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মিলন হোসেন সিকদার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ৬ জুন কেন্দ্র কমিটি সোহেল আহমেদ সভাপতি করে সাতক্ষীরা জেলার আংশিক কমিটি করা হয়। এ কমিটি বাতিল করে দলের ত্যাগী নেতাদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার আবেদন করা হয়। কিন্ত সেই সোহেল আহমেদকে সভাপতি রেখে দলের দুঃসময়ে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বাদ দিয়ে ৫ অক্টোবর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামানকে অব্যাহতি এবং সদর উপজেলা সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদসহ ছয়জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহম্মেদকে বহিষ্কার এবং পকেট কমিটি দ্রুত বাতিল করে পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের দিয়ে কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

মন্তব্য পড়ুন 0