বিজ্ঞাপন

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘সংগঠনবিরোধী উল্লেখিত কারণ ও দলীয় গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে আবদুল কাদের মির্জাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সমীপে সুপারিশ করা হলো।’

তবে মুঠোফোন না ধরায় এ বিষয়ে অব্যাহতি পাওয়া আবদুল কাদের মির্জার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে শনিবার সকালে কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার ডাকে হরতাল চলাকালে তাঁর মিছিলে লাঠিপেটা করে পুলিশ।
জেলা আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানিয়েছে, কাদের মির্জার অব্যাহতির সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবেই নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সভাপতি হয়তো কারও চাপে সিদ্ধান্তের সংবাদ চিঠিতে স্বাক্ষর করে পরে আবার প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন