বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার নানাবিধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। বরিশালে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পায়। বিভাগের সবচেয়ে বেশি করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু ছিল বরিশাল জেলায়। প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগসহ রাষ্ট্রের সব কটি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগের ফলে বিভাগে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর মিছিল কমানো সম্ভব হয়েছে। সমন্বিত এই ব্যবস্থাপনার ফলে যে সাফল্য এসেছে, তাতে সারা দেশে বরিশাল বিভাগ করোনা মোকাবিলায় মডেল হিসেবে এরই মধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘দেশে আমরা দ্রুত অক্সিজেনারেটর আমদানি করছি। এই মেশিন প্রতি মিনিটে ৫০০ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে। একটি মেশিন ১০০ জনকে অক্সিজেন দিতে সক্ষম। ইতিমধ্যে আমরা তিনটি অক্সিজেনারেটর আমদানি করেছি। যেগুলো চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও গোপালগঞ্জে ব্যবহৃত হচ্ছে। আরও ৮০টি মেশিন আমদানি করা হচ্ছে। দ্রুতই বরিশালবাসী অক্সিজেনারেটর পাবে।’

লোকমান হোসেন আরও বলেন, ‘করোনা কাউকেই করুণা করে না। ঢাকা শহরে এখন যত রোগী ভর্তি আছেন—সব গ্রামের। আমি রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে পরিদর্শন করে এ তথ্য জেনেছি।’

সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়ে লোকমান হোসেন বলেন, ‘আপনারা নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করুন। টিকা নিয়ে বাংলাদেশে কোনো সমস্যা হবে না। চীন থেকে প্রচুর পরিমাণে টিকা আমদানি করা হচ্ছে। এ ছাড়া দ্রুত আমরা দেশে করোনার টিকা উৎপাদন শুরু করব।’

সেমিনারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বশির আহমেদ, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক আবদুস সালাম এবং বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল, ইউনিসেফ বাংলাদেশের হেলথ সেকশন চিফ সানজানা ভার্দওয়াজসহ ছয় জেলার জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌরসভার মেয়র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সদস্যসহ প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন