উপজেলা আওয়ামী লীগের তিন পক্ষের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে ও জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার উপস্থিতিতে গত ২৭ মার্চ উপজেলা পরিষদ গণমিলনায়তনে প্রথমবারের মতো উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের নিজেদের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের পরামর্শ দেন জেলার জ্যেষ্ঠ নেতারা। পরামর্শ আমলে না নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক পক্ষের নেতা–কর্মীরা ৪ এপ্রিল থেকে এবং অপর পক্ষের নেতা–কর্মীরা ১৬ এপ্রিল থেকে এখানকার ছয়টি ইউনিয়নে পৃথক ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করছেন।

শামীম আহমেদ ওরফে মুরাদ বলেন, ‘ওই পক্ষের নেতারা জেলা আওয়ামী জ্যেষ্ঠ নেতাদের পরামর্শ মানেননি। তাঁরা আমাদের পক্ষে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের না ডেকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের বাদ দিয়ে নিজেদের ইচ্ছামতো ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া গত ইউপি নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃতদের উপস্থিতিতে তাঁরা কমিটি গঠন করার জন্য সম্মেলনও করছেন। তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় আমাদের পক্ষের নেতা–কর্মীদের নিয়ে ১৬ এপ্রিল থেকে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিতদের কমিটিতে রেখে আমরা ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন করে কমিটি গঠন করা হচ্ছে।’

শামীম আহমেদ ওরফে বিলকিস বলেন, ‘দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সম্মেলন করে আমরা ইউনিয়ন কমিটি গঠন করছি। আর ইউনিয়ন কমিটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করছে। অন্য কারও কমিটি গঠন করার কোনো ধরনের এখতিয়ার নেই। কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আমরা উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সব নেতাকেই ডেকেছি। কেউ না এলে তো আর জোর করে আনা যাবে না। বহিষ্কৃত নেতাদের ‍অংশগ্রহণে কোনো সম্মেলন করা হয়নি। এসব গুজব ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই নয়।’

রফিকুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির কাছে আমরাও ছয়টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের তালিকা জমা দেব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন