বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় ২০২০ সালের ৩ মার্চের মধ্যে কাজ শেষ করার অনুমতি চায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ করা হয়নি। এক বছর আগে ঠিকাদার সড়কটিতে সামান্য মাটি ফেলেন ও বক্স কাটেন। এরপর কাজটি বন্ধ করে দেন। এদিকে গত বছর বন্যা হওয়ায় সড়কটির বেশ কিছু অংশের মাটি সরে যায়।

স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, মাটির সড়কটিতে ইট না বিছানোয় মাইজবাড়ী, মাটিকাটা, নতুনবাড়ী, বীর দক্ষিণ-পশ্চিমপাড়া, বীর দক্ষিণ-পূর্বপাড়া, বীর দক্ষিণ প্রচারপাড়া, সলপসহ আশপাশের ৮ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এ গ্রামীণ সড়ক দিয়ে তাঁরা উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। এ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন হাটবাজারে যাতায়াত করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে হামিদা কনস্ট্রাকশনের ঠিকাদার রিপন খানের সঙ্গে কথা বলা যায়নি। তবে সম্প্রতি তাঁর ছোট ভাই আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘নানা ঝামেলার কারণে পুরো কাজটি শেষ করতে পারিনি। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজটি শুরু করব।’

ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান বলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালকের কাছে ইতিমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন