default-image

ফরিদপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবদুল ওয়াহাবের (৫৪) লাশ তাঁর সরকারি বাসভবনে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে ছিল। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে শহরের আলীপুর এলাকার বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

আবদুল ওয়াহাব ফরিদপুর সদরের বিল মামুদপুর এলাকার আবদুল হামিদের ছেলে। তিনি দুই ছেলের বাবা। তাঁর দুই ছেলে ঢাকায় থাকেন। দুই ছেলের একজন চাকরিজীবী, অপরজন পড়াশোনা করেন। স্ত্রী নাসিমা আক্তারকে নিয়ে ওই সরকারি বাসভবন থাকতেন আবদুল ওয়াহাব।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবদুল ওয়াহাব যে সরকারি ভবনে থাকতেন, সেটি দোতলা একটি পুরোনো বাড়ি। দোতলায় ওয়াহাব ও তাঁর স্ত্রী নাসিমা আক্তার থাকেন। নিচে থাকেন ফরিদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন।
মোসলেম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, রাত সাড়ে তিনটার দিকে ওয়াহাবের স্ত্রী নাসিমার চিৎকারে তিনি ওপরে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, একটি কক্ষে দুটি দরজার একটি বাইরে থেকে তালা দেওয়া, অপরটি ভেতর থেকে লাগানো। কক্ষের একটি দরজা ভেঙে ওয়াহাবের লাশ ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন। এরপর রশি কেটে লাশটি নামান।

বিজ্ঞাপন

ওয়াহাবের স্ত্রী নাসিমা আক্তার বলেন, তাঁর স্বামী রাতে পাশেই ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত তিনটার দিকে ঘুম থেকে জেগে স্বামীকে দেখতে না পেয়ে বাথরুম ও পাশের একটি কক্ষে খুঁজেও পাননি। পরে অপর একটি কক্ষের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দীপক রায় বলেন, ঘটনাটি ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তিনি (ওয়াহাব) অত্যন্ত চাপা স্বভাবের লোক ছিলেন। লাশের ময়নাতদন্ত করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন