বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেশবপুর শহরের শ্রীগঞ্জ এলাকার অসীম সেন তাঁর ছেলে অমর্ত্য সেনকে কেশবপুর সরকারি পাইলট বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করতে ফরম কিনেছিলেন। কিন্তু লটারিতে অমর্ত্যের নাম ওঠেনি। অসীম সেন বলেন, শহরের উপজেলা পরিষদে আরেকটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। মানসম্মত না হওয়ায় ছেলেকে সেখানে ভর্তি করতে চান না। বরং তিন কিলোমিটার দূরে মূলগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয় কিংবা পাঁচ কিলোমিটার দূরে নতুন মূলগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছেলেকে ভর্তির চেষ্টা করবেন।

বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল অরিত্র সাহা। কেশবপুর সরকারি পাইলট বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তির লটারিতে তার নামও ওঠেনি। অরিত্রর বাবা অনিমেষ সাহা বলেন, ‘ছেলের ভর্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।’ ছেলে কোথায় ভর্তি করবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না। দূরের কোনো বিদ্যালয়ে ছেলে ভর্তি হলে যাতায়াত নিয়ে সমস্যা হবে। আমার মতো অনেক অভিভাবক দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কয়েকজন অভিভাবক বলেন, উপজেলায় শিক্ষাবিস্তারে সুদূরপ্রসারী কোনো পরিকল্পনা নেই। কেশবপুর শহরে আরও মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা দরকার। তাৎক্ষণিক সমস্যা মোকাবিলায় তাঁরা কেশবপুর সরকারি পাইলট বিদ্যালয়ে অরেকটি শিফট চালুর দাবি জানান।

এ বিষয়ে কেশবপুর সরকারি পাইলট বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান বলেন, ভর্তিবঞ্চিতদের নিয়ে তাঁরাও চরম সমস্যার মধ্যে আছেন। প্রতিদিন অনেক অভিভাবক তাঁর কাছে আসছেন। ছেলেমেয়েদের ভর্তির জন্য অনুরোধ করছেন। প্রতিষ্ঠানে এমনিতেই মাধ্যমিক শাখায় ছয় শিক্ষকের পদ খালি। আরেক শিফট করার লোকবল নেই। এ ক্ষেত্রে সরকারি বিধিবিধানও রয়েছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করার মতো সুযোগ নেই। এলাকার মানুষ চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন