বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জনসভায় জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মানুষ যখন রাজনীতিতে হতাশ হয়ে পড়ে, তখন দেশটা হতাশার দিকে চলে যায়। উগ্রবাদের দিকে চলে যায়। শেখ হাসিনা বলছেন, তাঁরা নাকি জঙ্গিবাদ দমন করছেন। আমরা বলছি, বাংলাদেশে এই নির্বাচনব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের জন্ম দিচ্ছেন এই শেখ হাসিনাই। দেশের বর্তমান, ভবিষ্যৎ এর ভেতরের ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায়—সমস্ত কিছুর স্বার্থে এখন দরকার বাংলাদেশের গণতন্ত্রে ফেরা, ভোটের অধিকারে ফেরা। ভোটাধিকার হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র দাবি, যে দাবির পক্ষে ১৬ কোটি মানুষ একসঙ্গে রয়েছে।’

সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সময় এখনো আছে। দ্রুত ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য করতে হবে। পদত্যাগের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দিকে নিয়ে যেতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আসুন রাজনৈতিক সমঝোতায় বসি। আগামী তিনটি নির্বাচন এই রকম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই হবে। বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ ও সব সাংবিধানিক পদ স্বাধীন সাংবিধানিক কমিশনের মাধ্যম নিয়োগ দিতে হবে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক মুরাদ মোর্শেদ। এতে আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলন রাজশাহী জেলার সদস্যসচিব জুয়েল রানা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন রাজশাহী মহানগর শাখার আহ্বায়ক জিন্নাত আরা, রাজনীতিবিষয়ক সম্পাদক নাদিম সিনা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন, রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আবদুল মজিদ প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন