সমাবেশে বক্তারা বলেন, ঈদ শেষে প্রথম কর্মদিবসে সরকার ব্যবসায়ী ও মুনাফাখোর মজুতদারদের চাপে পড়ে বোতলজাত তেল লিটারে ৩৮ টাকা, খোলা সয়াবিন লিটারপ্রতি ৪০ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করেছে। এ দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে। গত এক বছরে ভোজ্যতেলের দাম শতভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ মানুষের আয় এক বছরে অর্ধেক কমেছে। ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

default-image

বক্তারা আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ঘোড়া থামাতে হলে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পর্যায়ে টিসিবির বিক্রয়কেন্দ্র খুলতে হবে। এ ছাড়া সরকারি গুদাম করে গ্রাম-শহরের দরিদ্র মানুষের মাঝে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে স্বল্পমূল্যে নিত্যপণ্য সরবরাহ করতে হবে। ভোজ্যতেলসহ নিত্যপণ্যের মধ্যস্বত্বভোগী, মুনাফাখোর সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবি বগুড়া জেলা কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হরি শংকর সাহা, সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য হাসান আলী শেখ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ কুমার পাল, যুব ইউনিয়নের নেতা সাজেদুর রহমান ও শাহনিয়াজ কবির খান, অখিল পাল, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র বগুড়া জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুর রহমান, ক্ষেতমজুর সমিতি সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি শুভশংকর গুহ রায়, ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়া জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির আহমেদ প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন