বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সজল দাসের স্ত্রী কৈলাস রানী দাস (৪০) জানান, তাঁর স্বামী কিছুটা মানসিক রোগী ছিল। প্রায় সময়ই সজল দাস বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েক দিন নিখোঁজ থাকতেন। পরে ফিরে আসতেন। এ ছাড়া তিনি মৃগীরোগীও ছিলেন।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এম এম নাজমুল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিবারের লোকজনের কোনো আপত্তি না থাকায় তাঁর লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন