বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দটুলা গ্রামের মৃত নূর ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও তাঁর চার ছেলে একই বাড়িতে বাস করেন। মাসখানেক ধরে বাড়ির একটি আধা পাকা ঘর নিয়ে আলমগীরের সঙ্গে তাঁর মা এবং দুই ভাই আনোয়ার হোসেন ও জাহাঙ্গীর মিয়ার বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে কয়েক দিন আগে মরিয়ম বেগম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছিলেন।

মরিয়ম বেগম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় আলমগীর ছুরি হাতে নিয়ে আনোয়ার হোসেনকে ধাওয়া করেন। এ সময় আনোয়ার দৌড়ে একটি ঘরে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা মরিয়ম বেগমের ভাই মাহমুদ মিয়া ওই বাড়িতে ছুটে আসেন। বাড়ির উঠানে পা রাখার পর কিছু বুঝে ওঠার আগেই আলমগীর তাঁর মামা মাহমুদ মিয়ার পেট ও হাতে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এ সময় মাহমুদ মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আনোয়ার ঘর থেকে বের হন।

এরপর আনোয়ারের গলায়ও ছুরি ধরেন আলমগীর। এ দৃশ্য দেখে ছেলেকে বাঁচাতে মা এগিয়ে এলে মায়ের হাতে ছুরিকাঘাত করেন আলমগীর। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে মাহমুদ মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গতকাল দিবাগত রাত একটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহমুদ মিয়ার মৃত্যু হয়।

এদিকে ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ছুরিসহ আলমীরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় গতকাল রাতেই মাহমুদ মিয়ার ছোট ভাই মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে আলমগীর হোসেনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। আলমগীর হোসেনকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন