default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল বাজারে অগ্নিকাণ্ডে দুটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুসহ দুজন দগ্ধ হয়েছেন। পাশাপাশি এতে ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজ শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, অরুয়াইল বাজারের পশ্চিম দিকে অরুয়াইল গ্রামের ভুবন চন্দ্র দাস (৩০) তাঁর মুদিদোকানে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর পাশাপাশি বোতলজাত এলপি গ্যাস ও জ্বালানি তেল (ডিজেল ও পেট্রল) বিক্রি করে আসছিলেন। আজ বেলা তিনটার দিকে তাঁর দোকানে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যে পাশের কোরবান আলীর খাদ্য প্রস্তুতকারী (বেকারি) কারখানাতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। অগ্নিকাণ্ডে দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের টাকাসহ ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দোকানমালিকেরা দাবি করেছেন।

বিজ্ঞাপন

ভুবন চন্দ্র দাসের বড় ভাই সমীর চন্দ্র দাস (৩৫) প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের দোকানে অন্য এক ব্যবসায়ীর দুই লাখ টাকা আমানত ছিল। এ টাকা উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁর ভাই ভুবন চন্দ্র দাস আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আগুনে অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুদ্র সাহা (১৩) আহত হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

অরুয়াইল পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসআই) বাপন চক্রবর্তী ও অরুয়াইল বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব প্রথম আলোকে বলেন, অরুয়াইল বাজারে অন্তত ১৫টি মুদিদোকানে অবৈধভাবে এলপি গ্যাস বিক্রি করে থাকে। এগুলো যেকোনো সময় বিপদ ঘটাতে পারে। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

সরাইল ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দলনেতা রিয়াদ মোহাম্মদ বলেন, ওই দোকানে গ্যাস বা জ্বালানি তেল বিক্রি করার কোনো অনুমোদন নেই। দোকানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন