বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিকা কেন্দ্র ও ওই নারীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোজিনা বেগম ৭ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই বিদ্যালয়ের ১ নম্বর বুথে টিকা নেন। টিকা গ্রহণের পর তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছ থেকে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রটি দেওয়ার জন্য একই চেয়ারে বসা ছিলেন। এরপর ঠিক দুই মিনিটের মধ্যে আবার তাঁকে আরেকটি টিকা দেওয়া হয়। দুটি টিকাই দিয়েছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী দেওয়ান আফরিন সুলতানা। আজও আফরিন সুলতানা টিকা প্রয়োগ করেছেন। রোজিনাকে একবারে দুই ডোজ টিকা দেওয়ার বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘ভুলে হয়ে গেছে।’

মুসলিম খান ওই দিন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমার স্ত্রী যদি মারা যায়, এর দায় নেবে কে।’ অবশ্য দুই মিনিটের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা নিলেও রোজিনা বেগমের কোনো জটিলতা হয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নোমান মিয়া আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই নারীর স্বামী আমার সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। এরপর তাঁর স্ত্রী দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো সমস্যা হয়নি। আশা করি, কোনো সমস্যা হবে না। ওই দিন অতিরিক্ত মানুষের চাপে এমনটি হয়েছিল।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন