বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পিংলা ইউনিয়নের কুমারপাড়া গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত এক ব্যক্তি বলেন, ‘বাতাসে আমগো ঘর উড়াইয়া নিল। এখন আমরা যামু কই। কেউ খোঁজ নিতে আসেনি।’

পিংনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে দেড় শতাধিক কাঁচা-পাকা ঘর ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের চাল উড়ে যাওয়ায় এই পরিবারের লোকজন খোলা আকাশের নিচে মানবতার জীবন যাপন করছেন।

default-image

এদিকে গতকাল রাতের ঝড়ে উপজেলার ডোয়াইল উচ্চবিদ্যালয়ের টিনের চালা উড়ে গেছে। ঝড়ে গাছপালা ভেঙে সড়কের ওপরে পড়ায় মানুষের চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখনো কোনো ত্রাণ বা সাহায্য সামগ্রী পায়নি বলে জানা গেছে। তাই ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকে নিজ উদ্যোগে ঘরবাড়ি মেরামত করছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হুমায়ুন কোভিদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির সংখ্যা যথাযথভাবে জরিপ করা হবে। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে।

ইউএনও উপমা ফারিসা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে। শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। উপজেলায় প্রায় কয়েক শ ঘরবাড়ি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন