বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিক্ষক দম্পতির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতে ওই দম্পতি ছেলেমেয়ে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর ভোরবেলার কোনো একসময় ওই বাসার গ্রিল কেটে চোর ভেতরে ঢুকে পড়ে। এ সময় চোর আলমারির তালা ভেঙে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি করে নিয়ে যায় বলে দাবি করা হচ্ছে।

আজ সকালে প্রতিবেশীরা জিয়াউলের বাসায় এসে দেখেন, তাঁরা সবাই ঘুমিয়ে আছেন। এদিকে বাসার বিভিন্ন আসবাব তছনছ করা হয়েছে। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পর তাঁদের ঘুম না ভাঙায় পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা শাহেদুর রহমান বলেন, ওই পরিবারের চার সদস্য অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সুস্থ হয়ে উঠতে আরও ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুল মজিদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে মামলা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন