বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মাইজবাড়ি, সাতপোয়া, খাগুড়িয়া, দিয়ারকৃষ্ণাই, বালিয়া, বলারদিয়ার ধোপাদহ ও চরপাড়া—এই আটটি গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ সড়কটি ব্যবহার করেন। কিন্তু সেতুটি দেবে যাওয়ায় এই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাই এখন এই সড়ক ব্যবহার করতে হলে হেঁটে যাতায়াত ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

দিয়ারকৃষ্ণাই গ্রামের কৃষক চান মিয়া (৪৫) বলেন, ‘এই ব্রিজ তো আর ব্যবহার করা যায় না। জমিতে আবাদ কইরে ফসল বাড়িতে নিতে খুব কষ্ট হয়। কবে যে আমগো কষ্ট দূর হবো।’

এদিকে বলারদিয়ার গ্রামের ওয়াজেদ আলী (৫৮) জানান, সাড়ে তিন বছর ধরে সেতু আর সড়কটি এভাবে পড়ে আছে। সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।

আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও এই সড়কে ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করেন। ২ নম্বর সাতপোয়া শহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবেল মিয়া বলে, ‘এই সেতু দিয়ে স্কুলে যাইতে ভয় করে। কহন যেন নিচে পড়ে যাই।’

সাতপোয়া শহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সারবিন নাহার বলেন, এই সড়ক ও সেতু দিয়ে বিদ্যালয়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পড়তে আসে। কিন্তু সেতু ও সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় অনেকেই নিয়মিত স্কুলে আসতে চায় না।

জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হুমায়ূন কবীর বলেন, বন্যার কারণে ওই সড়ক আর সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এটি দ্রুত মেরামত করে দেওয়া হবে। তখন আর মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগ থাকবে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উপমা ফারিসা জানান, নতুন প্রকল্প এলেই সেতু ও এর সংযোগ সড়ক মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন