বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাবেক অধ্যক্ষ আবদুর রহমানের করা মামলার আটজন সাক্ষীকে উমরুল হক তাঁর মামলায় আসামি করেন। এই সাক্ষীদের অভিযোগ, তাঁদের বেকায়দায় ফেলার জন্য এ মামলা করা হয়।

কোনোভাবে ভুল হয়ে গেছে। এ জন্য তিনি থানায় জিডি করেছেন।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উমরুল হক

কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবদুর রহমানের ভাষ্য, তিনি মামলা করায় তাঁর নামে আরও চারটি মামলা করা হয়েছে। তাঁকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সরানোর জন্য এবং নানামুখী হয়রানির জন্য মামলাগুলো করা হয়েছে। আরও জটিলতায় ফেলার জন্য তাঁর বাবার নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে তাঁর মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলা হওয়ায় তাঁকে কলেজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অথচ তিনি যে মামলা করেছেন, সেই মামলার প্রধান আসামি উমরুল হকের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ তাঁকে বরখাস্ত করেনি।

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী কলেজের গর্ভনিং বডির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জানে আলম প্রথম আলোকে জানান, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও তিনি সরাসরি বরখাস্ত করতে পারবেন না। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে কাগজপত্র পাঠাতে হবে, সেই বিষয় প্রক্রিয়াধীন।

জটিলতায় ফেলার জন্য তাঁর বাবার নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে তাঁর মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলা হওয়ায় তাঁকে কলেজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অথচ তিনি যে মামলা করেছেন, সেই মামলার প্রধান আসামি উমরুল হকের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ তাঁকে বরখাস্ত করেনি।
সাবেক অধ্যক্ষ আবদুর রহমান

বাবার নাম ভুল লেখার ব্যাপারে জানতে চাইলে উমরুল হক প্রথম আলোকে জানান, কোনোভাবে ভুল হয়ে গেছে। এ জন্য তিনি থানায় জিডি করেছেন। ঠিকানা কীভাবে ভুল হলো—জানতে চাইলে তিনি জানান, একইভাবে ভুল হয়েছে। তাঁর ওপর হামলা হয়েছে এ জন্য তিনি মামলা করেছেন, কাউকে হয়রানি করার জন্য নয়।

বাবার নাম ও ঠিকানা পাল্টে করা মামলাটি তদন্ত করছেন গোদাগাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মামুনুর রশিদ। তিনি জানান, এ মামলায় যাঁদের আসামি করা হয়েছে; প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ঘটনার সময় তাঁরা কেউই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন