default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত তিন দিনে হেফাজতে ইসলামের হরতাল–বিক্ষোভে সংঘাতে ক্ষয়ক্ষতির একটি তালিকা দিয়েছে জেলা পুলিশ। তবে জেলা প্রশাসন সার্বিক ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনো জানাতে পারেনি।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা পুলিশ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ক্ষতির চিত্র দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, হামলায় ৮০ জনের বেশি পুলিশ সদস্য আহতও হন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৭ মার্চ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ৪৩টি জানালার কাচ, প্রবেশপথের কলাপসিবল ফটক, পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সিসি ক্যামেরার মনিটর, দেয়ালঘড়ি, টেবিলের গ্লাস, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের গাড়ি রাখার গ্যারেজ, পুলিশের বিশেষ শাখার এনআইডি সার্ভারের ফায়ার স্টেশন মেশিন, কম্পিউটার, ফটোকপি মেশিন, জেনারেটর, জেনারেটর রাখার ঘর, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনের সাইনবোর্ড, ফুলের বাগানের লাইট ও বৈদ্যুতিক স্ট্যান্ড, ট্রাফিক পুলিশের ভাস্কর্য, রিকুইজিশন করা ২টি মাইক্রোবাস, ১টি পাজেরো, ১৩টি মোটরসাইকেল।

২ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ৪টি সিসি ক্যামেরা, ২টি ঝুলন্ত পাখা, ৬টি মোটরসাইকেল, ৫২টি জানালার গ্লাস, ৪টি দরজার থাই গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
২৮ মার্চ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তালিকায় রয়েছে রিজার্ভ কার্যালয়ের দরজা ও জানালা, ১ নম্বর ফটকের সেন্ট্রি পোস্টের দরজা ও জানালা, পুলিশ লাইনস গেইট ও সীমানাপ্রাচীরের বাতি, মসজিদের জানালা, ক্যানটিনের মালামাল ও শার্টার, পুলিশ লাইনস স্কুলের জানালা, সাইনবোর্ড, খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে পজ মেশিন, অ্যালকোহল ডিটেক্টর, আরএফআই গান, ক্যামেরা, ওয়্যারলেস সেট, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, ফটোকপি মেশিন, জেনারেটর, ইউপিএস, ফ্রিজ, টেলিভিশন, সিসি ক্যামেরা, মনিটর, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর, টেবিল, খাটিয়া।

আশুগঞ্জ টোল প্লাজার পুলিশ ফাঁড়ির ৯২টি জানালা, ২টি হেলমেট, ২টি ওয়াকিটকি চার্জার, চায়না রাইফেলের ২০টি গুলি, ১টি ল্যাপটপ, ১টি ভিডিও ক্যামেরা, এসি ও আসবাব।

হেফাজতের নেতা-কর্মীদের হামলায় সরকারি ও বেসরকারি কতটি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জেলা প্রশাসন আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত দিতে পারেনি। জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান আজ বিকেল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন