বক্তারা আরও বলেন, গাইবান্ধার তৎকালীন জেলা প্রশাসক কাজী আনোয়ারুল হক সাঁকোয়া সেতু এলাকায় ইপিজেড করার প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারী মহল তৎকালীন জেলা প্রশাসকের প্রস্তাব ধামাচাপা দিয়ে সাঁওতালদের বিরোধপূর্ণ জমিতে ইপিজেড করার পাঁয়তারা করছে। অথচ সাঁকোয়া এলাকায় ইপিজেড হলে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন। কারণ, এখানে ইপিজেড নির্মিত হলে সড়কপথ, রেলপথ, নৌপথ, হেলিপ্যাড ব্যবহারের সুযোগ পাবেন বিনিয়োগকারীরা। এ ছাড়া সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সাদুল্যাপুর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার মানুষসহ আশপাশের জেলার কর্মজীবী মানুষ ইপিজেডে সহজে যাতায়াত করতে পারবেন।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা নাগরিক মঞ্চের সদস্যসচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। এতে বক্তব্য দেন জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মারুফ, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক, গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির, আদিবাসী-বাঙালী সংহতি পরিষদ সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক গোলাম রব্বানী, ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্ক্সবাদী) সদস্য মৃণাল কান্তি বর্মণ, মানবাধিকার কর্মী অঞ্জলী রানী, সমাজকর্মী শহিদুল ইসলাম, রোকাউনদ্দৌলা, আশরাফুল আলম ও হাবীব বাদশা, মানবাধিকার নাট্য পরিষদের সদস্য আলম মিয়া, সাঁকোয়া সেতু বাস্তবায়ন মঞ্চের আহ্বায়ক কুশলাশীষ চক্রবর্তী, আইনজীবী মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, ফারুক কবির ও সাঈদ আহমেদ, নারী নেত্রী নাজমা বেগম প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন